স্বতঃস্ফুর্ত ও প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সোমবার দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, রিজিয়ন সদর দপ্তর, যশোর ও যশোর ৪৯ বিজিবির ব্যাটালিয়নের ১২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
যশোর ৪৯ বিজিবির ১২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত
গত ২০১৩ সালের ২০ জানুয়ারি পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে পিলখানা, ঢাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, যশোর এবং ৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠা লাভের পর হতে সকল স্তরের সদস্যগণ সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছে। আভিযানিক কর্মকান্ড, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদক পাচার বিরোধী অভিযানে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত রিজিয়ন সদর দপ্তর, যশোর এবং যশোর ব্যাটালিয়ন ৪৯ বিজিবি উল্লেখযোগ্য সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে।

এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন এবং ৪৯ বিজিবি এর সকল কর্মকর্তাগণ ও অন্যান্য সদস্যরা তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, দক্ষতা এবং কর্তব্য নিষ্ঠার মাধ্যমে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে থাকে। সর্বোপরি অত্র রিজিয়নের অধীনস্থ ইউনিট সমূহ কর্তৃক গেল এক বছরে ৭৯ কেজি ২২৬ গ্রাম স্বর্ণ, ১৭৪ কেজি ৫০৩ গ্রাম রৌপ্য, ১০৩ কেজি ৬৪৩ গ্রাম কোকেন, ২৭ কেজি ২৬৩ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ১৫৬ বোতল এলএসডি, ৬২ কেজি ৬০০ গ্রাম হেরোইন, ২ কেজি ১৫ গ্রাম সাপের বিষ, ৪২ টি অস্ত্র এবং ৪ কেজি ৭৫ গ্রাম কষ্টি পাথরসহ বিভিন্ন চোরাচালানী মালামাল আটক করতে সক্ষম হয়। যার মোট সিজার মূল্য ৫২৯ কোটি ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৮ টাকা।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর দক্ষিণ পশ্চিম রিজিয়ন সদর দপ্তরের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ুন কবীর। এছাড়াও যশোর জেলা প্রশাসক, এনএসআইয়ে যুগ্ম পরিচালক, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং রিজিয়ন সদর দপ্তর, যশোর ও যশোর ব্যাটালিয়ন ৪৯ বিজিবির সকল কর্মকর্তা, জুনিয়র কর্মকর্তা, বিভিন্ন পদবীর সদস্য ও অসামরিক কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী জানান, গত এক বছরে ৪৯ বিজিবির অধীনস্থ সকল সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৫২৯ কোটি ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৮ টাকা মূল্যের স্বর্ণ, রৌপ্য, মাদক ও বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় পণ্য আটক করা হয়েছে। আটককৃত মালামালের মধ্যে সমস্ত প্রকার মাদক ধবংস করার জন্য ব্যাটালিয়নে জমা রেখে অন্যান্য মালামাল কাস্টমসের আটক শাখায় জমা করা হয়েছে।
আরও দেখুনঃ